ldg-lead

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে তিনটি চ্যালেঞ্জ আছে। বাণিজ্যিক চাপ, নীতিমালা তৈরিতে সুযোগ সংকোচন এবং তৃতীয়ত উন্নয়ন সহায়তা কমে আসতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগে থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) গবেষণা পরিচালক ড. এম এ রাজ্জাক এমন মতামত দিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে সামষ্টিক অর্থনীতি ও এলডিসি থেকে উত্তরণবিষয়ক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ইআরএফ ও পিআরআই যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জায়েদি সাত্তার, নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর ও ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।

ড. রাজ্জাক বলেন, স্বল্পোন্নত আয়ের দেশ হওয়ার কারণে পণ্য রপ্তানিতে শূন্য শুল্ক্ক সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু ২০২৪ সালের পর নূ্যনতম ২.৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক্ক গুনতে হবে।

আহসান মনসুর বলেন, গত কয়েক বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা পেনশন এবং ভর্তুকিসহ সরকারের ব্যয় যেভাবে বেড়েছে সে অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না সরকার। এভাবে চলতে থাকলে আর্থিক খাতে সংকট বাড়বে। প্রশ্নোত্তর পর্বে পিআরআই নির্বাহী পরিচালক বলেন, সম্প্রতি ব্যাংক ঋণের সুদহার বেঁধে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা মোটেও যৌক্তিক নয়। এটি বাস্তবায়নের কিছুদিনের মধ্যেই অর্থনীতিতে ভয়াবহ চিত্র দেখা যাবে।

বিস্তারিত

তিনি আরও বলেন, ব্যাংক খাত থেকে সরকার যে ঋণ নিচ্ছে তার সুদহার কিছু ক্ষেত্রে ৯ শতাংশের বেশি।

সুতরাং ব্যাংকগুলো সুযোগ পেলেই সরকারকে ঋণ দেবে, বেসরকারি খাতে নয়। অর্থনীতিতে চাঙ্গা করতে যেসব নীতি নেওয়া হচ্ছে, তা ভারসাম্যহীন বলেও মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published.